ঢাকা, সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ ()
শিরোনাম
Headline Bullet দীর্ঘদিন বিরত থাকার পরে আবারো মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান শান্তিনগরে Headline Bullet কেরু চিনিকলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মুনাফা, প্রশংসায় ভাসছেন এমডি রাব্বিক হাসান Headline Bullet কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সামনে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন Headline Bullet কুষ্টিয়ার জমির বিরোধের সংঘর্ষে আহত ৬ Headline Bullet দর্শনা থানা জিয়া মঞ্চের নবগঠিত কমিটির ওসির সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় Headline Bullet জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও প্রতিকও গণকবর Headline Bullet কুষ্টিয়ার খোকসায় বিএনপি নেতার উপর সন্ত্রসী হামলার আসামি গ্রেফতার Headline Bullet বকেয়া চাওয়ায় চায়ের দোকানিকে হুমকি Headline Bullet রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে সাড়ে ৮ লাখ টাকা মূল্যের স্কাফ সিরাপ ও ফেয়ারডিলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার Headline Bullet জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে বিশাল অনিয়ম-দুর্নীতি: ২০ টাকার টিকিটের দাম নেওয়া হচ্ছে ৫০ টাকা

রোডের পাশে সন্তানকে ফেলে পালালেন মা পাশে দাড়ালেন ইউএনও

Oplus_131072

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে সড়কের পাশে শিশুটিকে একা কাঁদতে দেখে কয়েকজন এগিয়ে যান। পরে তারা শিশুটিকে উদ্ধার করে তার দাদির কাছে নিয়ে যান। কিন্তু দাদি শিশুটির দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে যান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির বাবা বারইখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. পলাশ এবং মা মোছা. মিতু আক্তার। প্রায় তিন মাস আগে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার মিতু আক্তার শিশুটিকে ইটভাটার সামনের সড়কে রেখে ঢাকার উদ্দেশে চলে যান।ঙ

ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. পলাশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ইউএনও মো. হাবিবুল্লাহ। পলাশ জানান, তিনি বর্তমানে মোরেলগঞ্জের বাইরে রয়েছেন। পরে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তিন দিনের মধ্যে ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সন্তানকে নিজের দায়িত্বে নেওয়ার কথা জানান শিশুটির বাবা পলাশ।

এদিকে, শিশুটির তাৎক্ষণিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ইউএনও মো. হাবিবুল্লাহ নিজেই তার দায়িত্ব নেন। শিশুটিকে কোলে তুলে নিয়ে তার প্রয়োজনীয় যত্নের ব্যবস্থা করেন তিনি। শিশুটির পরনে প্রয়োজনীয় পোশাক না থাকায় নিজের বাসা থেকে জামাকাপড় এনে পরিয়ে দেন এবং খাবারের ব্যবস্থা করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাবিবুল্লাহ জানান, শিশুটির সাময়িক নিরাপত্তা ও দেখভাল নিশ্চিত করতে তার ফুফু রেসমা খাতুনের কাছে সবার উপস্থিতিতে তিন দিনের ভরণ-পোষণের জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়ে শিশুটিকে সাময়িকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরদিকে, শিশুটির বাবা মো. পলাশকে আগামী সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে জরুরি ভিত্তিতে উপস্থিত হওয়ার জন্য তলব করা হয়েছে। শিশুটির ভবিষ্যৎ অভিভাবকত্ব, নিরাপত্তা ও আইনগত বিষয় বিবেচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।


     এই বিভাগের আরো খবর